February 24, 2024

বিশ্বকাপে দুই দেশের হয়ে মারওয়ে

রুলফ ভ্যান ডার মারওয়ে। ক্রিকেটের খুব ভক্ত না হলে তার নামের সাথে পরিচিত হওয়ার কথা না। এবারের বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের হয়ে মাঠে নেমেছেন ৩৮ বছর বয়েসী এই ক্রিকেটার। এটাই তার জন্য প্রথম বিশ্বকাপ। যদিও সুযোগ ছিল এর আগেও বিশ্বমঞ্চে আসার। একসময় যে জ্যাক ক্যালিস, ডি ভিলিয়ার্সদের সতীর্থ ছিলেন তিনি।

ভ্যান ডার মারওয়ের জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে বেড়ে ওঠে, ক্রিকেটের হাতেখড়ি সবটাই হয়েছে সেখানে। ২০০৯ সালে অভিষেকটাও হয়েছে প্রোটিয়াদের জার্সিতে। দারুণ অফস্পিন আর লোয়ার অর্ডারে মারকুটে ব্যাটিং এর জন্য খুব তাড়াতাড়ি চলে আসেন প্রদীপের আলোয়। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও জায়গা করে নিয়েছিলেন এই ক্রিকেটার।

এমনকি সেই বছর দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা উদীয়মান তারকার পুরস্কারও পেয়েছিলেন রুলস ভ্যান। তবে এই সুখের সময়টা বেশি দিন স্থায়ী হয় নি। ২০১১ বিশ্বকাপের আগে থেকেই দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটে চলে আসে পালাবদলের হাওয়া। দলে আসতে থাকেন তরুণ ক্রিকেটাররা। তখনই অফফর্মের কারণে অনেকটাই আড়ালে চলে যান মারওয়ে।

২০১১ সাল পর্যন্ত মারওয়ে পড়ে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার আশায়। কোন একদিন ডাক পাবেন, এটাই ছিল প্রত্যাশা। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটটা ভালোই খেলতেন। প্রোটিয়াদের হয়ে খেলেছেন ১৩টি টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডে।

বিশ্বকাপের পরেই মারওয়ে বুঝতে পেরেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় আর খেলা হচ্ছেনা তার। মায়ের সুবাদে নেদারল্যান্ডসের নাগরিক হওয়ার সুযোগ ছিল। ২০১৫ সালে সেই সুযোগও চলে আসে। এরপর ডাচদের জার্সিতে খেলেছেন পরপর ৩টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর চলতি ২০২৩ বিশ্বকাপে অবশেষে একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপে সুযোগ হলো এই ক্রিকেটারের। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম দুই ম্যাচের হারে অবশ্য সেই আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে এসেছে তার জন্য।

ras

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *